Logo
HEL [tta_listen_btn]

ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হবে মরদেহ :জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জায়েদুল আলম

 

ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হবে মরদেহ :জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জায়েদুল আলম

ঢাকা অফিস :

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুল সালাত মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জায়েদুল আলম। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আহত ও নিহতদের ব্যক্তিদের দেখতে এসে তিনি এ কথা জানান। মো. জায়েদুল আলম বলেন, এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ মিলে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যেভাবে চাইবে আমরা সেভাবেই মরদেহ হস্তান্তর করবো। নিহতদের মরদেহ শাহবাগ থানা পুলিশের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থল (মসজিদ) পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে পরীলক্ষিত হয় সেখানে এসি বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের মোট ছয়টি এসি ছিল। সবগুলো এসিই বিস্ফোরণ হয়। এতে মসজিদের সবগুলো জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। আগুনে মসজিদের সিলিং ফ্যানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থলে মানুষের রক্ত মাংস ও চামড়া লেগে থাকতে দেখা গেছে। এসপি জানান, আহত ও নিহত ব্যক্তির স্বজনদের সহায়তার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে হাসপাতালে একটি হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে। আমরা শুক্রবার রাত থেকেই তাদের সহায়তা দিচ্ছি। এ ঘটনায় শনিবার দুপুর পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যারা আহত হয়েছেন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি বলেন, এসি বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ), তিতাস গ্যাস, বিদ্যুৎ বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একজন স্টেশন অফিসার রয়েছেন। মসজিদের কী কারণে এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলো সেটি বের করার চেষ্টা চলছে। এদিকে মসজিদের নিচে তিতাস গ্যাসের লাইন রয়েছে। যা টাইলস দিয়ে ঢাকা ছিল। এ মুহূর্তে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না। এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩০৪ ধারায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান এসপি জায়েদুল। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মসজিদে বিস্ফোরণ হয়। মসজিদের নিচে গ্যাসের লাইনে অসংখ্য লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। বিস্ফোরণের ঘটনায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যূর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ১৬ জনে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost.Com